NCTB Class 8 Bengali Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো Solution


Warning: Undefined array key "https://nctbsolution.com/nctb-class-8-bengali-solution/" in /home/862143.cloudwaysapps.com/hpawmczmfj/public_html/wp-content/plugins/wpa-seo-auto-linker/wpa-seo-auto-linker.php on line 192

NCTB Class 8 Bengali Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো Solution

Bangladesh Board Class 8 Bengali Solution Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো Exercises Question and Answer by Experienced Teacher. NCTB Class 8 Bengali Solution Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো.

NCTB Solution Class 8 Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো : 

Board NCTB Bangladesh Board
Class 8
Subject Bengali
Chapter Three
Chapter Name                “রবিনসন ত্রুশো”

NCTB Class 8 Bengali Chapter 3 রবিনসন ত্রুশো Solution

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : 

(১) রবিনসন ত্রুশোর বাবা ছেলেকে কী বানাতে চেয়েছিলেন?

(ক) ব্যবসায়ী

(খ) আইনজীবী

(গ) নাবিক

(ঘ) পর্যটক

উত্তর : (খ) আইনজীবী

(৩) মনিব ভদ্রলোককে কীভাবে রবিনসন ত্রুশো খুশি করেছেন?

(ক) ক্রীতদাস হয়ে

(খ) পোশাক দিয়ে

(গ) মাছ ধরে

(ঘ) দ্বীপে নিয়ে

উত্তর : (গ) মাছ ধরে

(৪) রবিনসনকে দ্বীপের মুকুটহীন রাজাবলার কারণ – –

(i) তিনি ব্যতীত আর কেউ রাজা হবার উপযুক্ত নন

(ii) সব পশুপাখিকে তার করুণাপ্রার্থীর মতো মনে হতো

(iii) যতটুকু দৃষ্টি যায় দ্বীপের ততটুকুর একমাত্র অধিপতি ছিলেন তিনি।

নিচের কোনটি সঠিক?

(ক) i

(খ) iii

(গ) i iii

(ঘ) ii iii

উত্তর : (খ) iii

নিচের অংশটুকু পড় এবং ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :

জাফলং বেড়াতে গিয়ে শেফালি পাহাড়ি ঝর্ণা দেখে মুগ্ধ হয়। ফিরে আসার সময় তার মন উদাস হয়ে যায় আর ভাবে যদি আবার সে এখানে আসতে পারতো! যদি এমন সৌন্দর্য আর কোথাও আছে কী না তা দেখতে পেতো।

(8) শেফালি রবিনসন ক্রুশোগল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?

(ক) মনিব ভদ্রলোক

(গ) সহচর ফ্রাইডে

(খ) রবিনসন ক্রুশো

(ঘ) স্প্যানিশ খালাশি

উত্তর : (খ) রবিনসন ক্রুশো

(৫) শেফালির মানসিকতা রবিনসন ত্রুশোগল্পের কোন ভাবটি প্রকাশ করে?

(ক) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রীতি

(খ) উদাসী মনোভাব

(গ) ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা

(ঘ) জীবনযাত্রায় বৈচিত্রতা

উত্তর :

(গ) ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা

(ক) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রীতি

সৃজনশীল প্রশ্ন :

(১) পিতৃহারা মনিরকে তার চাচা শহরে নিয়ে আসেন এবং স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। কিন্তু ফেলে আসা গ্রামের সবুজ মাঠ,নদী বারবার তার মনে পড়তে লাগলো। চাচা মনিরের মানসিক অবস্থা বুঝতে পেরে তাকে বেড়াতে নিয়ে যান। এতে তার মন ভালো হয়ে গেল । অতি দ্রুত সে নিজেই শহরের ঐতিহাসিক স্থানগুলো দেখতে গেলো । নিত্যনতুন জায়গা ভ্রমণ করে সে শহরটিকে আপন করে নিলো ।

(ক) রবিনসন ত্রুশোকে কারা ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করেছিল?

উত্তর : রবিনসন ত্রুশো লন্ডনে আসার পর সেখানকার এক জাহাজের মালিকের পরামর্শে গিনি উপকূলে ব্যবসা করার জন্য যাত্রা করা শুরু করলো। কিন্তু একদিন বাণিজ্য থেকে আসার পথে মুর জলদস্যুরা তার জাহাজে আক্রমণ করে এবং জাহাজের সকলকে বন্দি করে বিক্রি করে দিলো। মুর জলদস্যুরার এই ভাবে রবিনসন ত্রুশোকে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দিয়েছিলো।

(খ) দ্বীপে রবিনসন কীভাবে ফসল উৎপাদন করেছিলেন?

উত্তর : সমুদ্রের ঝড়ে রবিনসন ত্রুশোর জাহাজ এক দ্বীপের উপকূলে এসে আটকে পরে। প্রবল ঝড়ে জাহাজের সবাই প্রাণ হারালেও রবিনসন সৌভাগ্যবশত বেঁচে যান। পরে তিনি জাহাজের ভাঙা অংশ থেকে একটি কোদাল ও একটি কুড়ুল বানিয়ে নেন। একদিন হটাৎই তিনি তার সাথে করে আনা একটি তুষের থলি দেখতে পান এবং তার থেকে তুষ গুলোকে বের করে মাটিতে ছড়িয়ে দেন। এর কিছুদিনের পরেই বর্ষা নামলো এবং বৃষ্টি হবার কিছুদিন পরেই সে দেখতে পেলো ছড়িয়ে রাখা তুষ গুলো থেকে বেরিয়ে এসেছে বেশকিছু অংকুর। এরপরে রবিনসন তার ঘরের সামনের আরো বেশ কিছুটা জমি কুপিয়ে রাখলো এবং কিছুদিন পরে দেখা গেলো সেই অংকুর গুলি থেকে বেরিয়ে এসেছে ধান ও যব গাছ। কিছুদিনের মধ্যেই গাছ গুলো বেশ বড়ো হয়ে উঠলো। এই দেখে রবিনসন চাষা জমি তৈরি করে তাতে ধান ও যবের ফসল ফলিয়ে ছিলো।

(গ) মনিরের বৈশিষ্ট্যের কোন দিকটি বরিনসন ত্রুশোর মধ্যে অনুপস্থিত তা ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর : গল্পের রবিনসন ত্রুশো ছোট বেলা থেকেই দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানোর ঝোক ছিল। বিশেষ করে তার সমুদ্র যাত্রা করার এক বিশেষ আগ্রহ ছিল। রবিনসন সবসময় নতুন নতুন স্থানে যেতে পছন্দ করতেন। জাহাজের প্রতি ছিল তার বিশেষ এক টান। সমুদ্র যাত্রা করা ছিল তার কাছে রোমাঞ্চকর। মনির গ্রাম বাংলার নদী, মাঠ, সবুজ প্রকৃতিকে ভালোবাসতো।  মনির শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেত কিন্তু তার মধ্যে রবিনসনের দেশ-বিদেশ ভ্রমণ এবং সমুদ্র যাত্রার বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায়নি।

(ঘ) নতুনকে গ্রহণ করার সামর্থ্য বিবেচনায় মনির ও রবিনসন ত্রুশো একই মানের বিষয়টি বিশ্লেষণ কর

উত্তর : রবিনসন ত্রুশো ও মনির “নতুনকে গ্রহণ করার সামর্থ্য” বিবেচনায় একই মানের এই উক্তি অনেকাংশে সঠিক। কারণ গল্পের মধ্যে দেখা যায় রবিনসন ত্রুশো বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে যতবার বিপদে পড়েছিল এবং যতবার নতুন নতুন স্থানে পৌঁছেছিল। ততো বাড়ি সে অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়েও নতুনকে মানিয়ে নিয়েছে। যখন তাকে ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি করা হয়েছিল তখন সে মাছ ধরে সেখানে মানিয়ে নিয়েছিল। অজানা দ্বীপে গিয়েও সে নিজেকে সেখানকার পরিস্থিতি অনুযায়ী মানিয়ে নিয়েছিল। একইভাবে উদ্দীপকের মনিরও যখন তার চাচার সাথে নতুন শহরে এসেছিলো তখন সে তার গ্রামের পরিবেশকে ভুলতে পারতো না। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই শহরের নতুনকে জানতে জানতে সে এই শহরকে আপন করে নিয়েছিল।

(২) শীতের ছুটিতে রহমান বন্ধুদের সাথে গ্রামে বেড়াতে গেল। একদিন সবাই মিলে পাশের বনে ঢুকলো পাখি দেখার জন্য। শহরের ছেলে রহমান বড় বড় গাছে ঢাকা অন্ধকার বনে পথ হারিয়ে ফেললো। প্রথমে ভয় পেলেও সে মনে সাহস সঞ্চার করলো এবং কর্কশ শব্দ সহ্য করেও রাতে গাছের ডালে বসে থাকলো। পরদিন পথ বের করার জন্য চিহ্ন ধরে ধরে এগুলো ও ফল পেড়ে খেয়ে ক্ষুধা মেটাল। মনের জোর ও বুদ্ধিবলে দুদিন পর সে ঠিকই গ্রামে ফিরে এল।

(ক) ফ্রাইডে কে?

উত্তর : রবিনসন একদিন হটাৎ দেখতে পেলো যে জানা তিরিশেক লোক কিছু লোককে বন্দি করে সমুদ্রের তীরে নিয়ে আসছে। এরপর তারা একটি লোকে সাথে সাথে মেরে ফেলে। তখন তাদের হাত থেকে একটি লোক পালিয়ে যায়। রবিনসন তখন ঠিক করে যে সেই লোকটিকে সে বাঁচাবে। এর পরে রবিনসন সেই লোকটিকে অনেক চেষ্টা করে বাঁচায় এবং নিজের ঘরে নিয়ে যায়। এই সমস্ত ঘটনা হয়েছিল শুক্র বাড়ে অর্থাৎ ফ্রাইডেতে। তাই তখন রবিনসন সেই লোকটিকে নাম দিয়েছিলো ফ্রাইডে।

(খ) অজানা দ্বীপে কীভাবে রবিনসন পোশাক পেল?

উত্তর : দ্বীপে অনেকদিন কেটে গেলে রবিনসনের সাথে যা পোশাক ছিল তা প্রায় সবই শেষ হয়ে যাচ্ছিলো। তাই লজ্জা নিবারণের জন্য তার এখন নতুন পোশাকের প্রয়োজন। কিন্তু এই নির্জন দ্বীপে সে জামা কাপড় পাবে কোথায়। তখন তার মাথায় খেলে কেক বুদ্ধি। তার কাছে ছিল কতগুলো ছাগলের চামড়া। আর এই শুকনো চামড়া দিয়েই সে বানিয়ে ফেলেছিলো নতুন পোশাক।

(গ) উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে রবিনসন ত্রুশো গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : গল্পটির মধ্যে যেমন করে রবিনসন ত্রুশো নিজের ভয়কে জয় করে নির্জন দ্বীপে একা একা বেঁচে ছিল ঠিক তেমনি উদ্দীপকের রহমান যখন বধূদের সাথে গ্রামে বেড়াতে গিয়ে যখন হারিয়ে যায় তখন সে প্রথমে ভয় পেলেও পরে ভয়কে জয় করে একটি গাছের ডালে উঠে বসে ছিল। পরের দিন জঙ্গলের ফল খেয়ে খুদা নিবারণ করেছিল। এবং অনেক কষ্ট করে দুদিন পরে গ্রামে ফিরে যেতে পেরেছিলো। উদ্দীপকের ভয়কে জয় করা এবং মনের সাহসের দিকটি “রবিনসন ত্রুশো” গোলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

(ঘ) রহমান যেন রবিনসন ত্রুশো র প্রতিচ্ছবিউক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর : আলোচ্য গল্পে রবিনসনের জাহাজটি যখন ডুবে যায় তখন সে একটি নির্জন দ্বীপে পৌঁছে যায়।  সেখানে সে অনেক চেষ্টা ও সাহসের সাথে অনেক বছর থাকে এবং অবশেষে দীর্ঘ আটাশ বছর পরে বাড়ির উদ্দেশে যেতে পারে। উদ্দীপকের রহমান তার বন্ধুদের সাথে গ্রামে ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে যায় এবং বনের অন্ধকারে নিজের ভয়কে জয় করে একটি গাছের ডালে রাত্রি নিবারণ করে। এরপর সে বনের ফলমূল খেয়ে নিজের খুদা মেটায়। এবং অনেক চেষ্টা করে রাস্তা খুঁজে দীর্ঘ্য দুদিন পরে গ্রামে ফিরতে পারে। এই অদম্য সাহস ও মনের জোরের মধ্য দিয়ে তার মধ্যে  রবিনসন ত্রুশো র প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে।

 

Next Chapter Solutions :  

Updated: September 8, 2023 — 2:14 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *